Sunday, July 29, 2018

গ্রামকে ভালবাসি

গ্রামকে ভালবাসি রাজ কুমার সরকার
ভানুবিলে উত্তর পল্লি বাড়ি আমার গ্রামকে ভালবাসি, ভোর বিহানে দেখতে পাই কলমী লতার হাসি। শিশির সিক্ত সবুজ ঘাসে মুক্তা হাসি দেখে, সর্ষে ফুলের হলদে হাসি স্বপ্ন দিল মেখে। পাখনা মেলে সাদা শাপলা সাদা হাসি তার, ধুসর মেঘের কালো হাসি মুখ করে দেয় ভার। ক্ষনিক পরে চমকে দেয় বিজলী মোঘের হাসি, গ্রামের ছেলে গ্রামেই থাকি গ্রামকে ভালবাসি। রক্ত জবা হাসি বিলায় রক্তিম সূর্য প্রাতে, কাপুন শীতের কম্বল ছেড়ে বসি তারই সাথে। সোনার ফসল সোনার হাসি হাসে মাঠের বুকে, মায়ের সমান গ্রামের কোলে আছি মহা সুখে। চন্দ্রীমা তার স্নিগ্ধ হাসি দেখায় সারা রাত, কায়ূর ধাক্কায় পতপত হাসে কলার পাত। সুরের হাসি হাসে রাখাল মাঠে ছড়ায় তান, গ্রামের সবুজ বৃক্ষ তরু বাড়ায় দেশের মান। গাই দোহানির শব্দে হাসে বধুরা সব ভুলে, নবজাতক শিশুর হাসি ফোটায় মায়ের কোলে। কলকল ঢেউয়ের তালে হাসে নদীর জল, গ্রামের হাসির নাইকো শেষ থাকবে অবিরল।, মোহিন হাসির ঝিলিক ছড়ায় গোলাপ জবা ফুলে। পাখপাখালীর কিচির মিচির যেন শব্দের হাসি, গ্রামে জন্ম সার্থক আমার গ্রামকে ভালবাসি।

লেখাপড়াঃ( ফানি)

লেখাপড়াঃ( ফানি)
সুমিত সিংহ
খাই দাই ঘুরি ফিরি কাম কাজ নাই ক্লান্ত হয়ে পড়তে গেলে ঘুম পেয়ে যায়। পড়াশুনায় আছে কি এর দ্বারা হবে কি? মহাগুনী মহাজন লেখাপড়া করেছে কতজন? শুনেছি, লেখাপড়া করে সবাই মূর্খ,পন্ডিত হবে সবাই যদি পন্ডিত হয় শিক্ষা কাকে দেবে?

Saturday, July 28, 2018

ধরণীঃ

.ধরণীঃ
সুমিত সিংহ ওহে মোর ধরণী হয়ে আছি চির ঋণী। অবদানের স্মরণী কখনো ভুলিনি। কত না অপূর্ব এ ভুবন পাবে কোথায় আর এমন? দুষ্টদের দমন হবে যখন শিষ্টদের পালন হবে তখন। ধরিত্রীর প্রতি এ ঋণ শোধ হবে না কোনদিন। সময়ের পরিবর্তনে একদিন ধরণীতে হয়ে যাব বিলীন। ভালবাসি ধরণীকে মায়ের মতো, মনের মাঝে প্রণয় আছে যতো।

বন্ধুত্বঃ

.বন্ধুত্বঃ
সুমিত সিংহ
চলো গো বন্ধু চলো সেখানে আমরা যেখানে থাকতাম বসে বিনা আপসে মধুর রসে কাটত সারাদিন। সময় বিহীন চলত গল্প সল্প মজা হলেও অল্প ভাগ করে নিতাম একে অন্যের সুখ দুখ। মান নিগো বন্ধু আমার কথা তাই তো আজ তর মনে এত ব্যথা। চাইনি তো আমি হয় যেন দুখ তর সুখেই তো আমারি সুখ।